4 بناهای تاریخی معروف برتر بنگلادش
بهترین بناهای تاریخی معروف های بنگلادش به ترتیب و نظرات کاربران
نگاه کلی
بهروزرسانی دادهها: اکتبر 2026
- تعداد مکانها
- 4
- میانگین امتیاز
- 4.6 / 5
- نظرات
- 21,795
- امتیاز ۴٫۵ یا بالاتر
- 25%
- دارای وبسایت
- 0%
مقایسه 4 بناهای تاریخی معروف برتر بنگلادش
| رتبه | مکان | امتیاز ما | امتیاز | نظرات | سهم ۵ ستاره |
|---|---|---|---|---|---|
| #1 | یادمان شهدای ملی | 4.60 | 4.6 | 19,977 | 79% |
| #2 | مجسمه ببر بنگال سلطنتی Tigerpass | 4.40 | 4.4 | 1,510 | 65% |
| #3 | جاده گذر ببر | 4.34 | 4.1 | 25 | 56% |
| #4 | شهید منار مرکزی چیتاگونگ | 4.32 | 4.3 | 283 | 64% |
امتیاز LocalGuideWorld: میانگین امتیاز که با تعداد نظرات وزندهی شده است؛ یعنی ۴٫۸ با ۲٬۰۰۰ نظر بالاتر از ۵٫۰ با ۳ نظر قرار میگیرد.
بهترین برای
توزیع امتیاز مکانها
-
★ 4.5 – 5.01 مکان (25%)
-
★ 4.0 – 4.43 مکان (75%)
-
★ 3.5 – 3.90 مکان (0%)
-
★ < 3.50 مکان (0%)
شهرهای برتر برای بناهای تاریخی معروف در بنگلادش
بناهای تاریخی معروف های برتر با امتیاز بالا
بهترین بناهای تاریخی معروف ها از دید کاربران
دیدن مکان
جاده گذر ببر
دیدن مکان
مجسمه ببر بنگال سلطنتی Tigerpass
دیدن مکان
شهید منار مرکزی چیتاگونگ
دیدن مکان
یادمان شهدای ملی
نکات کلیدی
- چند مکان در دسته «بناهای تاریخی معروف» در بنگلادش ثبت شده است؟
- در LocalGuideWorld تعداد 4 مکان در دسته «بناهای تاریخی معروف» در بنگلادش ثبت شده است.
- 4 مکان برتر دسته «بناهای تاریخی معروف» در بنگلادش کداماند؟
- بر اساس امتیاز LocalGuideWorld: یادمان شهدای ملی, مجسمه ببر بنگال سلطنتی Tigerpass, جاده گذر ببر, شهید منار مرکزی چیتاگونگ.
- کدام مکان در دسته «بناهای تاریخی معروف» در بنگلادش بالاترین امتیاز را دارد؟
- یادمان شهدای ملی با امتیاز 4.6 از ۵ بر اساس 19,977 نظر.
- کدام مکان در دسته «بناهای تاریخی معروف» در بنگلادش بیشترین نظر را دارد؟
- یادمان شهدای ملی با 19,977 نظر.
- میانگین امتیاز مکانهای دسته «بناهای تاریخی معروف» در بنگلادش چقدر است؟
- بهطور میانگین 4.4 از ۵ بر اساس 21,795 نظر.
نظرات
শহীদ মিনারের নতুন রুপে বেশ ভালোই লাগছ। বিকেলে সময় কাটানোর জন্য ভালো একটি জায়গা। তবে কাপল দের এখানে না আসাই ভালো।
এখানে কিশোর ছেলেরা এক পাশে ছোট্ট পরিসরে খেলাধুলা করে থাকে অন্য পাশে অনেকেই আড্ডায় মেতে উঠে কারন বসার জন্য অনেক সুন্দর ব্যাবস্থা রয়েছে মনে হবে যেন প্রকৃতিতে মিশে যাওয়া।
শহীদ মিনারের পেছনে বড় বড় গাছগাছালির চির সবুজ নয়ন জুড়াবেই। সাথে কৃষ্ণচুড়া ও রেইন্ট্রির ফুলের বাহার নহর কাড়বেই।
এখানে কিশোর ছেলেরা এক পাশে ছোট্ট পরিসরে খেলাধুলা করে থাকে অন্য পাশে অনেকেই আড্ডায় মেতে উঠে কারন বসার জন্য অনেক সুন্দর ব্যাবস্থা রয়েছে মনে হবে যেন প্রকৃতিতে মিশে যাওয়া।
শহীদ মিনারের পেছনে বড় বড় গাছগাছালির চির সবুজ নয়ন জুড়াবেই। সাথে কৃষ্ণচুড়া ও রেইন্ট্রির ফুলের বাহার নহর কাড়বেই।
টাইগারপাস (ইংরেজি: Tigerpass) বাংলাদেশের চট্টগ্রামে অবস্থিত পাহাড় এবং বৃক্ষ বেষ্টিত চিরহরিৎ এলাকা। এ-সড়কের মোড়ে বাংলাদেশের জাতীয় পশু বেঙ্গল টাইগারের ভাস্কর্য রয়েছে। এছাড়াও রাস্তার একপাশে রয়েছে কৃত্রিম ঝরনা। টাইগারপাস মোড়ের পাশেই মোহাম্মদ ইউসুফ চৌধুরী সড়ক।
চট্টগ্রামের একটি দৃষ্টিনন্দন সড়ক।একসময় যে কোনো ঋতুতেই সড়কটা মধ্যদিয়ে যাতায়াতের সময় শীত-শীত অনুভূতি হতো! এখন অার সে রকম লাগে না, জনসমাগম, সড়কে যানবাহনের চাপে দুই পাহাড়ের মধ্যবর্তী রাস্তায় আগের নির্জন পরিবেশটা আজ বিলুপ্ত।
টাইগারপাস নামটা ব্রিটিশের দেওয়া। সম্ভবত আসাম-বাংলা রেলওয়ের প্রধানদপ্তর প্রতিষ্ঠার সময় এ সড়কটির উদ্ভব। জায়গাটা ছিলো অঘোর পাহাড়। প্রয়োজনের তাগিদে পাহাড় কেটে রাস্তা তৈরী করতে হয়। তখন এসব পাহাড়ে নানাধরনের পশু-পাখি- জীবের আবাসস্থল। বাঘও ছিলো। অনুমান করি এ পথে বাঘ চলাচল করতো। আর সে কারণে ইংরেজরা সড়কের মোড়টাকে "টাইগারপাস" নামকরণ করে! বিশ্বকাপ ক্রিকেটে চট্টগ্রামে কয়েকটা খেলা হওয়াতে তখন চট্টগ্রামকে বর্ণিল সাজে সজ্জিত করা হয় আর তখনই টাইগারপাস নামের যথার্থতা রক্ষায় বা বাংলাদেশ ক্রিকেটে টাইগার লেগো থাকার কারণ তিনটি বাঘের ভাস্কর্য প্রতিষ্ঠা করা হয়।
টাইগারপাস নামটা ব্রিটিশের দেওয়া। সম্ভবত আসাম-বাংলা রেলওয়ের প্রধানদপ্তর প্রতিষ্ঠার সময় এ সড়কটির উদ্ভব। জায়গাটা ছিলো অঘোর পাহাড়। প্রয়োজনের তাগিদে পাহাড় কেটে রাস্তা তৈরী করতে হয়। তখন এসব পাহাড়ে নানাধরনের পশু-পাখি- জীবের আবাসস্থল। বাঘও ছিলো। অনুমান করি এ পথে বাঘ চলাচল করতো। আর সে কারণে ইংরেজরা সড়কের মোড়টাকে "টাইগারপাস" নামকরণ করে! বিশ্বকাপ ক্রিকেটে চট্টগ্রামে কয়েকটা খেলা হওয়াতে তখন চট্টগ্রামকে বর্ণিল সাজে সজ্জিত করা হয় আর তখনই টাইগারপাস নামের যথার্থতা রক্ষায় বা বাংলাদেশ ক্রিকেটে টাইগার লেগো থাকার কারণ তিনটি বাঘের ভাস্কর্য প্রতিষ্ঠা করা হয়।
আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমিকি ভুলিতে পারি। না এটা ভুলার নয়। পাহাড়ের কোল ঘেঁষে চট্টগ্রাম শহীদ মিনার। খুব সুন্দর জাইগা। এখন আশ পাশের উন্নয়নের কাজ চলছে।
It is one of the busiest places in Chittagong. From here you can go to mass transit anywhere in Chittagong.
(চট্টগ্রাম এর সকল ব্যস্ত জায়গা গুলোর মধ্যে এটিও একটি। এখান থেকে আপনি চট্টগ্রামের যেকোনো গনপরিবহনে চড়ে যেতে পারবেন)
(চট্টগ্রাম এর সকল ব্যস্ত জায়গা গুলোর মধ্যে এটিও একটি। এখান থেকে আপনি চট্টগ্রামের যেকোনো গনপরিবহনে চড়ে যেতে পারবেন)